কুরবানি দেওয়ার ফজিলত

কুরবানি দেওয়ার ফজিলত

 

কুরবানি দেওয়া মুসলিম উম্মাহের একটি মহান ইবাদত ও সুন্নত হিসাবে বিবেচিত হলো। আল্লাহ তা’আলা কুরবানি দান করার প্রতিটি মুসলিম জনকের উপর ওয়াজিব বজায় দিয়েছেন। কুরবানির ফজিলত বিষয়টি কয়েকটি প্রমুখ বিষয়ের দৃষ্টিতে বিবেচিত হতে পারে:

আল্লাহর ইবাদত ও পশ্চাদকালের তৎপরতা: কুরবানি দেওয়া হলে মুসলিম ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদতে প্রস্তুতি প্রদর্শন করে এবং আল্লাহর নিকট অনুরাগী হওয়ার সুযোগ পান। এটি আল্লাহর নিকটে আমলের একটি সুন্নত যাতে বর্ণিত হয়েছে।

তাকবীর ও তাহলীলের মাধ্যমে দৈনন্দিন কমলে পুনরুদ্ধার: কুরবানি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহের দৈনন্দিন কমল পুনরুদ্ধার হতে পারে। কুরবানির পরিণতি থেকে পাওয়া মাংস বিভিন্ন দরিদ্র ও গরিব মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হলে একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়।

সত্যিকারের সাবর ও কৃপা প্রাপ্তি: কুরবানির মাধ্যমে ব্যক্তি সত্যিকারের সাবর এবং কৃপার প্রাপ্তি করতে পারে। কুরবানি দান করার সময় ব্যক্তির হৃদয় দুঃখে ওঠে, যার মাধ্যমে তিনি আল্লাহর কৃপা এবং প্রসন্নতা অর্জন করতে পারেন।

তাওয়াক্কুল বা দৈনন্দিন ব্যবস্থার সমাপনে মাধ্যমে নিরাপত্তা: কুরবানি দেওয়ার সময় ব্যক্তি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, যার ফলে তিনি নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন ব্যবস্থার সমাপনের মাধ্যমে সুখ এবং সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারেন।

এইগুলি হল কুরবানি দানের ফজিলতের কিছু উদাহরণ। তবে, মানুষের জীবনের বিভিন্ন পাশাপাশি কুরবানি দানের বিভিন্ন ফজিলত ও উদ্দেশ্য থাকতে পারে যা কোনো একটি লেখায় না সংক্ষেপে বর্ণিত হতে পারে। একজন মুসলিম জন যদি কুরবানি দান করতে চান, তাহলে তিনি উপার্জন করতে পারেন সঠিক আদম ও আব্রাহামের (আলাইহিস সালাম) সুন্নত অনুযায়ী অন্যান্য মাসআহা এবং আপনার স্থানীয় শরিআতের নির্দেশানুযায়ী।

 

কুরবানী দেওয়ার নিয়ম
কুরবানি দান করার জন্য নিম্নলিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করা উচিত:

সঠিক সময়: কুরবানি দানের সময় ইসলামিক হিজরি মাসের দ্বাদশ ও ত্রৈশ তারিখের মধ্যে হতে হবে। সাধারণত এই তারিখগুলোতে ইসলামিক ঈদ উল আযহা বা ঈদ উল আযহা বা ঈদ উল অযহা পালন করা হয়।

পশুর নির্বাচন: পশুর নির্বাচনে সাধারণত বাকি, গরু, ছাগল বা ভেড়াদের নির্বাচন করা হয়। পশুগুলির সুস্থ এবং প্রাকৃতিক অবস্থায় থাকা উচিত। সেলাইন, বিক্রয় বা নবীকরণ করা হয় না।

পশুর আয়োজন: কুরবানি পশুগুলি সঠিক সামারিক উপকরণ এবং বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তায় আয়োজিত করতে হবে। এছাড়াও পশুগুলির করণীয় উপস্থাপন ও সামরিক অবস্থানের জন্য যথাযথ স্থান প্রয়োজন।

নির্ধারিত অংশগ্রহণ: আমন্ত্রিত মুসলিম উম্মাহের সদস্যদের অংশগ্রহণ করার আহ্বান দেওয়া হবে। কুরবানি পশুটির মাংস সম্ভবতঃ থেকে থেকে থেকে তিন টিন অংশে বিভক্ত করা হয়। একটি অংশ নিজের জন্য রাখতে হবে, একটি অংশ পরিবারের মধ্যে দান করতে হবে এবং আরেকটি অংশ দরিদ্র ও সমাজের মানুষদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।

নিশ্চিত করুন নেকজ হওয়া: কুরবানি পশুটি নিকটস্থ পরিবার, সন্তান, স্বজন, বন্ধুদের মধ্যে বিতরণ করে অন্য লোকদের নিশ্চিত করুন যে এটি অপরাধী অথবা সময় যাচাইয়ে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির কাছে পৌছেছে না।

নিশ্চিত করুন নিকহ হওয়া: কুরবানি দান করার সময় নিশ্চিত করুন যে পশুটি নিকহ (বাচ্চাদ্বয়) হয়নি। এটি কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এগুলি হল কুরবানি দানের কিছু সাধারণ নিয়ম। এছাড়াও, আপনার প্রাদেশিক শরিয়তের নির্দেশানুযায়ী অতিরিক্ত নিয়ম বা আদেশ মেনে চলা উচিত। ইসলামে কুরবানি দান করার প্রশ্নে আরও বিস্তারিত জ্ঞানের জন্য আপনি স্থানীয় ইমাম, মাওলানা বা শরিয়ত বিষয়ক বিশেষজ্ঞের সাথে পরার্তিত করতে পারেন।

By নিজস্ব প্রতিবেদক

রংপুরের অল্প সময়ে গড়ে ওঠা পপুলার অনলাইন পর্টাল রংপুর ডেইলী যেখানে আমরা আমাদের জীবনের সাথে বাস্তবঘনিষ্ট আপডেট সংবাদ সর্বদা পাবলিশ করি। সর্বদা আপডেট পেতে আমাদের পর্টালটি নিয়মিত ভিজিট করুন।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *