লেখাপড়া ভালো করা বিশেষ কৌশল

লেখা পড়া ভালো করতে কতো না চেষ্টা করি থাকি আমরা সকলে । তবে কখনো কি ভেবেছেন পড়াশোনা করার নিয়ম এর ব্যাপারে? সহজে নিয়মমাফিক পড়াশোনা করা যায় বা কিভাবে ?তবে এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য আজকের এই আর্টিকেল লেখা। আর যারা সহজ উপায় অবলম্বন করে ভালো কিছু করতে চাচ্ছে তাদের জন্য লেখাটি । আশা করি সকলে উপক্রত হবে ।

প্রস্তুতি করুন:
লেখাপড়ার আগে প্রস্তুতি করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগে প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তক, নোট, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন তথ্যসমূহ অনুসন্ধান করুন। এটি আপনাকে একটি বিস্তারিত ধারণা দেবে এবং আপনার লেখার আদর্শ বা তারগুলো স্পষ্ট করবে।

আদর্শ অবস্থান নির্বাচন করুন:
একটি শান্ত এবং আদর্শ পরিবেশে লেখাপড়া করার চেষ্টা করুন। যখন আপনি একটি স্থানে বসে থাকবেন, নিশ্চিত হোন যে সেখানে আপনার কাছে কোনও প্রতিবন্ধক নেই এবং আপনি নিজেকে সমৃদ্ধ করার জন্য পর্যাপ্ত স্থান এবং সুবিধা আছে।

প্রযুক্তি ব্যবহার করুন:
সময় সাপেক্ষ কাজগুলি সহজ করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করুন। এটি অল্প সময়ে বেশি কাজ সম্পন্ন ক

 

লেখাপড়া ভালো করার উপায়গুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

পরিকল্পনা করুন:
লেখাপড়ার আগে একটি পরিকল্পনা করুন। আপনার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করুন এবং লেখার পরিকল্পনা করুন যেন আপনি প্রতিটি ধাপে কি লিখবেন সেটা স্পষ্ট থাকে।

সময় ব্যবস্থাপনা করুন:
নির্দিষ্ট সময়কালে লেখাপড়া করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচী ব্যবহার করুন। স্বাভাবিক কার্যক্রমের মধ্যে সময় দিন যেন আপনি নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট সময়কালে লেখাপড়া করতে পারেন।

প্রযুক্তি সম্পন্ন হোন:
সময়সূচী বজায় রাখার জন্য ক্যালেন্ডার ব্যবহার করুন এবং আপনার পরিকল্পিত কার্যক্রমগুলো একটি টু-ডু লিস্ট বা টু-ডু অ্যাপ ব্যবহার করে সম্পন্ন করুন। এটি আপনাকে সময়ের সাথে লেখাপড়া করতে সাহায্য করবে।

 

 

অভিন্ন লেখাপড়া ভালো করার উপায়গুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

পঠনের উপাদানগুলো ব্যবহার করুন:
পড়ার সময় আপনার পাশে থাকতে পারে বই, নোটবুক, পেন, কম্পিউটার ইত্যাদি। এগুলোকে আপনার পছন্দ মতো ব্যবহার করুন যাতে আপনি সহজেই নোট নিতে পারেন এবং ব্যক্তিগত মন্তব্য যুক্ত করতে পারেন।

স্বস্তিপ্রাপ্তি করুন:
কেবলমাত্র লেখাপড়ার জন্য সুবিধাজনক একটি স্থান ব্যবহার করুন। সেখানে শান্তি, প্রশান্তি এবং প্রশ্রয় বেছে নিন। আপনার চিন্তার সঙ্গে মিল ধরে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করুন যেন আপনি একাগ্রতার সাথে লেখাপড়া করতে পারেন।

প্রাথমিক প্রস্তুতি:
আপনার পঠনের আগে একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা করুন। এটা করলে আপনি পূর্বের ধাপে আপনার লেখার পরিকল্পনা করতে পারবেন এবং পূর্ববর্তী সে অনুযায়ী কাজ করতে পারেন ।

সম্প্রসারণ করুন:
বেশি মাত্রার পঠন মাধ্যমে লেখাপড়া করা অনেক জটিল হতে পারে। তাই পঠন বা পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য সম্প্রসারণ ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে মূল ধারণাগুলি সংক্ষেপে সম্প্রসারণ করতে সাহায্য করবে এবং পরবর্তীতে সুস্থ মানের সাথে পুনরাবৃত্তি করতে পারবেন।

অনুশীলন করুন:
সম্প্রসারিত পাঠ পড়ার পর অনুশীলন করুন। সম্প্রসারিত পাঠের মূল ধারণা ও উদাহরণগুলি ব্যবহার করে নিজেকে পরীক্ষা করুন। এটি আপনাকে বুদ্ধিমান করবে এবং আপনার জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা উন্নীত করবে।

নোট নিন:
লেখাপড়া করার সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান করুন। নোট নেওয়া সাধারণত মনে রাখতে সহায়তা করে এবং পঠনে নির্ধারিত ব

 

নিয়মিতভাবে পঠন করুন:
নিয়মিতভাবে পঠন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্দিষ্ট সময়ে দৈনিক বা সাপ্তাহিক পঠন সময়সূচি তৈরি করুন এবং সেই সময়ে পঠনের জন্য সময় নিয়ে চিন্তিত থাকুন।

অন্যদের সাথে আলোচনা করুন:
আপনি লেখাপড়া সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন অন্যদের সঙ্গে। সাধারণত আপনার পঠনের বিষয়ে আলোচনা করলে আপনি পাঠটি পরিবর্তন করতে পারেন এবং নতুন ধারণা পেতে পারেন।

 

পুনরায় সৃষ্টি করুন: লেখাপড়া করার সময় আপনি একটি ধারণা বা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে নিজের নতুন ধারণা বা মতামত সৃষ্টি করতে পারেন। এটি আপনার বিচার বিপ্লব করতে সাহায্য করবে এবং আপনার লেখার গুনগত নির্ভরযোগ্যতা

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন:
শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। যদি আপনি যথাযথ বিশ্রাম না নিন, তবে আপনার মনোযোগ ও ক্রিয়াশীলতা ভুলে যেতে পারে। তবে বিজ্ঞানীরা বলেন, মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা টানা ২৫-৩০ মিনিট পরিশ্রমের পর হ্রাস পেতে শুরু করে। তবে একটানা ঘন্টার পর ঘন্টা বই নিয়ে পড়ে থাকার অভ্যাস বন্ধ করো। আর পড়ার সময়টুকুকে ছোট্ট ছোট্ট ভাগে আলাদা করে সাজিয়ে নাও। প্রত্যেকটা ভাগ শেষ হওয়ার পর পাঁচ মিনিট ব্রেক নিবে।

নিজেকে মোটিভেট করুন:
লেখাপড়া করার সময় নিজেকে মোটিভেট রাখুন। আপনার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করুন এবং নিজেকে অনুপ্রাণিত করার জন্য একটি উদ্দেশ্যবদ্ধ সংকেত বা স্লোগান ব্যবহার করুন।

বিষয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন:
লেখাপড়া করার সময় নিজেকে প্রশ্ন করুন। আপনি কি এই বিষয়ে পরিচিতি রাখেন? আপনি কি সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন? নিজেকে এই প্রশ্নগুলোর সমাধান খুঁজে বের করতে পারেন এবং নিজের বুদ্ধিমত্তা উন্নত করতে পারেন।

Leave a Comment