যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে

যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, বাংলাদেশীরা যারা কানাডায় নতুন এসেছে তাদের দৃষ্টিতে কানাডা এক রকম আবার যারা দীর্ঘদিন থেকে কানাডায় বসবাস করছে তাদের কাছে কানাডার অভিজ্ঞতা অন্য রকম। অর্থাৎ আপনি যতদিন ধরে কানাডায় বসবাস করতে থাকবেন কানাডার সমস্তকিছু আপনার কাছে ততোই চেন্জ হতে থাকবে।

যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে

যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, যারা নতুন কানাডায় আসতে ইচ্ছুক তারা কানাডার ঐত্যিহ্য সম্পর্কে অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে কানাডায় আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আমি আজকে আপনাদের সামনে এমন ১০ টি কারণ উল্লেখ করব যা থেকে আপনি বসবাসের বা চাকুরী করার জন্য কানাডায় আসতে উৎসাহ প্রকাশ করবেন এবং আসতে বাধ্য হবেন।

বিশাল জব মার্কেট

বিশাল জব মার্কেট, কনাডা একটি বিশাল দেশ তাই এখানে জব মার্কেটও বিশাল । এখানে কিন্তু জবের কোন অভাব নেই। তাই আপনি বাংলাদেশ থেকে এসেই যে কোন একটি জব পেতে পারেন। জব পেতে কোন অসুবিধা হবে না। তবে যে সকল মানুষ বাংলাদেশ থেকে কানাডার প্রাইমমিনিস্টার হতে চান তাদেরকে অধ্যাবসায় করতে হবে,এখানকার কালচার শিখতে হবে, অনেক স্কিল অর্জন করতে হবে তবেই তারা এখানকার প্রাইমমিনিস্টার হতে পারবেন। এজন্য আপনাকে সময় দিতে হবে। কানাডার কোন কাজই কিন্তু ছোট নয়।

এখানে আপনি যে কোন কাজ দিয়েই বসবাস শুরু করতে পারেন তারপর ধীরে ধীরে আপনি আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারবেন। এখানে আমি একটা জিনিস আমি পরিস্কারভাবে বলতে চাই সেটা হলো আপনি এখানে যাই হতে চাইবেন তাই হতে পারবেন ,কোন বাধা নিষেধ নেই। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, এখানে সবাই একটি চাকুরির পাশাপাশি এক্সট্রা ইনকামের অন্য একটিতে পার্টটাইম জব করে থাকে। কেউ কাউকে ছোট করে দেখে না। তাই আপনি বাংলাদেশ থেকে কানাডায় এসে প্রথমেই যে কোন এন্ট্রি লেভেলের কাজ দিয়ে জীবন যাপন শুরু করতে পারেন এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

কানাডার সৌন্দর্য

কানাডার সৌন্দর্য এতই মুগ্ধকর তা ভাষায় প্রকাশ কার অসম্ভব। এখানে অন্টারিওতে নায়াগ্রা জলপ্রপাত রযেছে যেটাকে কানাডার আইকন হিসেবে ধরা হয়। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, এদিক দিয়ে কানাডার অ্যালবার্টা প্রভিন্সে একটি বিশাল ন্যাশনাল পার্ক রয়েছে যেখানে সুদৃশ্য সারি সারি রকি মাউন্টেন যার সৌন্দর্য আপনি স্বচোক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না মহান আল্লাহ তা’য়ালা কত সুন্দর করে কানাডাকে সাজিয়েছেন।

কানাডার পেসিভিক কিন্তু খুব সুন্দর। এখানে ব্রিটিশ কলোম্বিয়া রয়েছে। ব্রিটিশ কলোম্বিয়াকে এখানে বলা হয় বিউটিফুল অব ব্রিটিশ কলোম্বিয়া। এটি এতই সুন্দর যে আপনি একবার আসলে এখানেই থেকে যেতে চাইবেন। কানডার প্রত্যেকটা প্রভিন্স সেখানকার স্থানীয় সরকার খুব সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছেন। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ন্যাশনাল পার্ক,প্রভিনশিয়াল পার্ক এবং রিজিওনাল পার্ক। যেখানে কানাডিয়ানরা সামারে ঘুরতে আসে,পিকনিক করে ,ক্যাম্পেইন করে।

কানাডায় কিন্তু চারটা ঋতু। কানাডা এককটা ঋতুতে এককে রকম সৌন্দর্যে ভরপুর। যারা শীতকালকে ভয় পান তাদের উদ্দেশ্যে বলি,এখানে শীতকার এক দারুন উপভোগ করার মত ঋতু। তবে এখানকার শীতের সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে হলে শীতকালে পোশাক পরিধান করা প্রয়োজন।

কানাডিয়ানরা বন্ধুসুলভ

কানাডিয়ানরা বন্ধুসুলভ, কানাডিয়ান রা কিন্তু বেশ ভদ্র এবং সভ্য জাতী। তারা একে অন্যের সব সময় উপকার চায় কখনও কারও কোন ক্ষতি করবে না। তাই আপনি এখানে বসবাস করে কানাডিয়ান বাসীদের কাছ থেকে সব সময় উপকার পেয়ে থাকবেন। এখানে আপনি কোন কাজ করতে না পারলে তারা আপনাকে সাহায্য করবে তা শেখানোর জন্য।

এখানে একটি দারুন বিষয় আছে সেটি হলো কানাডিয়ানরা কখনও আপনাকে জাজ করবে না । আপনি লম্বা না খাটো? আপনি সাদা না কালো? মোটা না চিকন? আপনি শিক্ষিত না অশিক্ষিত? তা নিয়ে তারা কখনও আপনাকে যাচাই করবে না। তারা শুধু দেখবে আপনি মানুষ হিসেবে কেমন। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, তাই আপনি বাংলাদেশ থেকে এসে এখানে কোন রকম অসুবিধার সন্মুখিন হলে আপনি খুব সহজেই তা সমাধান করতে পাবেন। কানাডিয়ানবাসীদের সবসময় আপনার বন্ধু হিসেবে পাবেন।

কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থা

কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই সুবধাজনক। আপনার যারা বাংলাদেশ থেকে ছোট বাচ্চা নিয়ে আসবেন তাদের জন্য রয়েছে দারুন সুযোগ। এখানে দ্বাদশ ক্লাশ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্রি। এমনকি টেক্সবুক পর্যন্ত ফ্রি পাবেন। পৃথিবীর অন্যতম টপ এডুকেটেড দেশ কিন্তু কানাডা।এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুবই স্বনামধন্য। যেমন ইউনিভার্সিটি অব ভিক্টরিয়া,ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়া, ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো এবং কুইনস ইউনিভার্সিটি কানাডার বিশ্ববিদালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম।

এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফি দিয়ে লেখাপড়া করতে হয়। তবে এতে ভয়ের কোন কারন নেই। কেননা এখানে লেখাপড়ার জন্য আপনি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে খুব সহজেই লোন নিতে পারবেন। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, কানাডায় কিন্তু একাডেমিক পড়াশুনার কোন বয়স লাগে না, আপনি যে কোন বয়সেই এখানে লেখাপড়া করতে পারবেন।

অধিবাসী

কানাডা একটি মাল্টিকালচার ভিত্তিক দেশ। এটি একটি ইমিগ্রেন্ট প্রধান দেশ অর্থ্যাৎ এখানে সিংহ ভাগ জনগণই ইমিগ্রেন্ট। আপনার যারা বাংলাদেশ থেকে আসবেন তারা এখানে অনেক বাংলাদেশী পাবেন যারা দীর্ঘদিন থেকেই এখানে বসবাস করে আসছে। শুধু বাংলাদেশী নয় এখানে অনেক দেশের মানুষের সঙ্গে আপনাদের পরিচয় হবে কিন্তু কখনই মনে হবে না আপনি প্রবাসে আছেন।

এখানে আপনার দেশীয় কালচার এবং চাহিদাগুলোর সবই পাবেন। এখানে একটি সত্যি কথা না বললেই নয়, এখানে কেউ কিন্তু স্থানীয় নন। তারা সবাই অধিবাসী। তারা সবাই কোন কোন সময় অন্য দেশ থেকে এসে এখানে বসবাস করছে। জানা যায় এখানে হাজার হাজার বছর আগে সর্বপ্রথম মঙ্গোলীয়া থেকে জনগণ এসে কানাডায় বসবাস শুরু করেছে। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে জনগণ এখানে এসে বসবাস করছে, তারা কেহই কানাডিয়ার মাটির নন। তাই আপনিও এখানে এস সিটিজেন হয়ে নিজ দেশ বলে দাবী করে বসবাস করতে পারবেন।

নিরাপদ

কানাডা বেশ শান্তিপ্রিয় একটি দেশ। এখানে তেমন কোন ক্রাইম হয় না। তবে এখানে যে সব ক্রাইম আছে সেগুলো শুনলে বেশ অবাক হবেন। বাংলাদেশে যেগুলোকে ক্রাইম হিসেবে ধরা হয় না সেগুলোকে কিন্তু এখানে ক্রাইম হিসেবে ধরা হয় এবং শাস্তি হয়। তাই প্রথম প্রথম এখানকার ক্রাইমগুলোকে আপনাকে ফানি মনে হবে। যেমন ধরেন, বাংলাদেশে কেউ কাউকে একটি চড় বা গুষি দিল সেটা কিন্তু বাংলাদেশে ক্রাইম হিসেবে ধরা হয় না কিন্তু এটা এখানে ক্রাইম হিসেবে ধরা হয় এবং শাস্তী হয়।

বাংলাদেশে কেউ যদি কাউকে মানুষিক অত্যাচার করে সেটা কিন্তু ক্রইম হয় না কিন্তু এখানে কেউ কারও দ্বারা মানুষিক অত্যাচারের স্বীকার হন তবে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে পারেন এমনকি কোর্ট থেকে এমন অর্ডার নিতে পারবেন যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার কাছাকাছি ৫০ফিট এর মধ্যে আসতে পারবে না। যদি আসে তাকে এ্যারেস্ট হতে হবে। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, এখানে রাত ২টা অবদি কোন মেয়ে যদি রাস্তায় চলাচল করতে চায় নির্দিধায় চলাচল করতে পারবে, কোন অসুবিধা হবে না।

চাইল্ড বেনিফেট

কানাডায় একটি ব্যতিক্রম সুবিধা হলো চাইল্ড বেনিফেট। এখানে কেউ সন্তান জন্ম দিলে সন্তানের বযস ১৮ বছর পর্যন্ত বাচ্চা লালন পালনের জন্য সরকার একটি ভাতা প্রদান করে থাকে এটাকে চাইল্ড বেনিফিট বলে। এই ভাতার পরিমাণ সপ্তাহে ৬০০ ডলারের মত,তবে এটি পিতামাতার ইনকামের উপর ভিত্তি করে কম বেশি হতে পারে। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, এত টাকা আপনি কোন পরিশ্রম ছাড়াই পাবেন তাই আমি বলব চাইল্ড বেনিফিট একটি অত্যন্ত সহায়ক বেনিফিট হবে আপনার জন্য।

বাড়ী ক্রয়

কানাডাতে কিন্তু যে বাড়ি কিনতে চায় সেই বাড়ি কিনতে পারে। এখানে বাড়ি কেনা কোন বড় বিষয় নয়। এখানে বাড়ি কেনার জন্য কোন বয়সের প্রয়োজন হয় না। আপনি তরুন বয়সেই আপনি এখানে বাড়ি কিনতে পারেন।তাছাড়া প্রথম বার বাড়ি কেনার সময় সরকার আপনাকে হেল্প করে থাকবে। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, আপনার ক্রেডিট স্কোর অনুযায়ী খুব সহজেই ব্যাংক লোন পেয়ে যাবেন। এমনকি ইসলামিক লোনের প্রয়োজন হলে এখানে তাও পাবেন। তবে আপনাকে প্রথমবার অল্প টাকায় বাড়ি কেনার জন্য অপেক্ষাকৃত নরমাল সিটিতে কমদামে বাড়ি কিনতে পারেন। তাই বলা যায় এখানে একটি গর্বিত বাড়ির মালিক হওয়া কোন ব্যাপার না।

স্বাস্থ্য সুবিধা

স্বাস্থ্য সুবিধা, কানাডায় যারা বসবাস করবে তাদের চিকিৎসা বলতে গেলে একদমই ফ্রি। আপনারা যখন কানাডায় আসবেন তখন দেখবেন এখানকার চিকিৎসা ব্যাবস্থা অত্যন্ত উন্নত। এখানে প্রত্যেক ইমিগ্রেশনকে একজন ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান পছন্দ করতে হয়। আর এই ফ্যামিলি ডাক্তার দেখাতে কোন ফি প্রয়োজন হয় না। আপনি যখন তখন ফ্যামিলি ডাক্তারের ফ্রি পরামর্শ নিতে পারেন।

এখানে আরেকটি বিষয় খুবই ভাল সেটা হলো , আপনি বাংলাদেশে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে নিতে ফাইল ভারি করে থাকেন আর ডাক্তার বার বার পূর্বের প্রেসিক্রপশন দেখতে চাবে। কিন্তু এখানে ব্যতিক্রম, আপনার ফাইল ডাক্তারের চেম্বারে জমা থাকবে । আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী ডাক্তার দেখাতে পাবেন। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, এখানে যদি কেউ খুব দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয় কোন সমস্যা নেই আপানার ফেমিলি ডাক্তার অপারেশনের জন্য উপযুক্ত ফিজিশিয়ানের কাছে রেফার্ড করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আপনাকে কোন চিন্তা করতে হবে না। সেখানে হসপিটালে থাকা খাওয়া এবং চিকিৎসা একদম ফ্রি।

তবে কানাডায় চোখ এবং দাঁতের চিকিৎসার জন্য আপনাকে ফি প্রদান করতে হবে। কিন্তু তাতেও কোন সমস্যা নেই,কেননা আপনি তো চাকরীতে চিকিৎসা পাবেন। সেটা দিয়ে আপনি চোখ ও দাঁতের চিকিৎসা করতে পাবেন। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে এখানে একটা বিষয় জেনে রাখা ভাল, সেটা হচ্ছে কানাডায় আপনি বাসিন্দা না হয়ে অন্য দেশ থেকে এসে চিকিৎসা করাতে চান তখন আপনাকে কিন্তু অনেক খরচ বহন করতে হবে। তাই কানাডায় এসে বসবাস করলে আপনি এই বৃহৎ ফ্রি চিকিৎসা সেবাটি গ্রহন করতে পারবেন।

দুঃশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন

দুঃশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন, দুঃশ্চিন্তামুক্ত শান্তির সুখের দেশ হচ্ছে কানাডা। মানুষের সবচাইতে দুঃশ্চিন্তা হচ্চে টাকা। কানাডায় যদি আপনার নতুন এসে চাকুরী পেতে বিলম্ব হয় তখন কানাডার সরকার লেখাপড়াসহ চাকুরী না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে হেল্প করে থাকবে। তাছাড়া আপনি যদি কখনও চাকুরীচ্যুত হন কোন সমস্যা নেই। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, আপনাকে সংসার চালানোসহ অন্যান্য খরচের জন্য কোন চিন্ত করতে হবে না। এখানে ইআই সিস্টেম আছে। ইআই সিস্টেম হচ্ছে এক ধরনের ইমপ্লয়মেন্ট ইন্স্যুরেন্স যা আপনাকে ০৬ মাস পর্যন্ত বেতন প্রদান করে থাকবে। আপনি এই ০৬ মাসে অন্য এটি জব খুজে নিয়ে চাকুরীতে যোগদান করতে পারবেন।

পরিশেষে

কানাডার অধিবাসীগণ কনাডায় বসবাস করে যত সুবিধা পান এবং যত আনন্দের সহিত বসবাস করতে পারেন তার ব্যাখ্যা বলে শেষ করা অসম্ভব। যে ১০টি কারনে বসবাসের জন্য আপনাকে কানাডায় আসতে হবে, আমি খুব সংক্ষেপে কানাডায় বসবাসের সুবিধাগুলো নিয়ে আলোচান করলাম। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় কানাডায় বসবাস অত্যন্ত আরামদায়ক ,পরিবেশ বান্ধব এবংদুঃশ্চিন্তামুক্ত। তাই আপনি যদি পৃথিবীতে স্বর্গীয় ভাবে বসবাস করতে চান তবে কানাডায় আসতে ভুলবেন না।

 

 

Leave a Comment