তাহাজ্জুদ নামাজের কিভাবে দোআ করলে কবুল হয়

তাহাজ্জুদ নামাজের কিভাবে দোআ করলে কবুল হয় তাহাজ্জুদ নামাজে দোআ করতে হলে প্রথমে প্রার্থনার মধ্যে আল্লাহর সামনে হতে হবে। পুরো হৃদয়ের সাথে তাহাজ্জুদ নামাজের দোআ করা উচিত। এটি পূর্ণ ভাবে আল্লাহর সামনে করা উচিত, অতএব মন ও শরীরের সমস্ত ইচ্ছা এবং মনোভাবগুলি সাথে একত্রিত করা উচিত। এরপরে আল্লাহর কাছে কষ্ট, গ্রহণ এবং মনোযোগের প্রতি অনুরোধ করা উচিত। নিজের গুনাহগুলির ক্ষমা এবং নিজের এবং অন্যদের সুস্থতা, সমৃদ্ধি এবং ফলের জন্য প্রার্থনা করা উচিত। শেষে, প্রার্থনার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে বিনয় এবং আদরের অনুরোধ করা উচিত। সমস্ত প্রার্থনার পরে আমীন বলা উচিত।

তাহাজ্জুদ নামাজের কিভাবে দোআ করলে কবুল হয়

তাহাজ্জুদ নামাজের সাথে দোয়া কবুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। হাদিসে নবী (সাঃ) বলেছেন, “রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ তার রহমত নিয়ে নেমে আসেন এবং তার বান্দাদের ডাকেন, ‘কে আছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করবো। কে আছে রিযিক চাইবে? আমি তাকে রিযিক দেবো। কে আছে যা চাইবে? আমি তাকে তা দেবো।'” (তিরমিযি)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, রাতের শেষ তৃতীয়াংশ, যখন তাহাজ্জুদের সময় হয়, তখন আল্লাহ তাআলার রহমত বর্ষিত হয় এবং দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

তাহাজ্জুদ নামাজের সাথে দোয়া কবুলের সম্পর্কের কিছু কারণ :

  • শান্ত পরিবেশ: রাতের শেষ ভাগে পরিবেশ থাকে শান্ত ও নির্জন। এই শান্ত পরিবেশে মন একাগ্র করে আল্লাহর কাছে দোয়া করা যায়।
  • ত্যাগ স্বীকার: রাতের ঘুম ছেড়ে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা আল্লাহর প্রতি বিশেষ ত্যাগ স্বীকার। ত্যাগ স্বীকারকারী বান্দার দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • বিশেষ সময়: রাতের শেষ তৃতীয়াংশ আল্লাহ তাআলার বিশেষ সময়। এই সময়ে দোয়া করা আল্লাহর নিকটতম বান্দার পরিচয় বহন করে।
  • নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা: তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি সাধারণত ধর্মপ্রাণ ও আল্লাহভীরু হন। তারা আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। আন্তরিকতার সাথে করা দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

তাহাজ্জুদ নামাজের সাথে দোয়া কবুলের জন্য কিছু বিষয় মনে রাখা উচিত:

  • ইখলাসের সাথে দোয়া করা: আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য দোয়া করা উচিত।
  • আন্তরিকতা ও বিশ্বাসের সাথে দোয়া করা: বিশ্বাস রাখতে হবে যে আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করবেন।
  • নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া: দোয়ার শুরুতে নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।
  • দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য ভালো কিছু চাওয়া: নিজের জন্য ও অন্যদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য ভালো কিছু চাইতে হবে।
  • সবশেষে, দোয়ার পর আল্লাহর প্রশংসা করা: দোয়ার শেষে আল্লাহর প্রশংসা করতে হবে।:

 

তাহাজ্জুদ নামাজের সাথে দোয়া কবুলের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। রাতের শেষ ভাগে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয় এবং দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তাই, মুসলমানদের উচিত নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে

তাহাজ্জুদ নামাজের কিভাবে পড়ব

তাহাজ্জুদ নামাজ একটি নফল নামাজ যা রাতের শেষের তিনযোগে পড়া হয়। এটি অনেক বেশি সুন্দর ও পরিপূর্ণ নামাজের একটি। তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে আপনার নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে:

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম:

সময়:

  • ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদেকের আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া যায়।
  • তবে অর্ধ রাতের পর থেকে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া ভালো।
  • শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা সর্বোত্তম।

রাকাআত:

  • সর্বনিম্ন ২ রাকাআত এবং সর্বোচ্চ ১২ রাকাআত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া যায়।
  • রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ পড়তেন।
  • তাই ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ পড়াই ভালো।
  • সম্ভব হলে ১২ রাকাআত তাহাজ্জুদ আদায় করা।
  • তবে ৮ রাকাআত আদায় করা উত্তম।
  • সম্ভব না হলে ৪ রাকাআত বা তার চেয়ে বেশি রাকাআত পড়া যায়।

নিয়ত:

  • নামাজ শুরু করার আগে নিচের নিয়ত করতে হবে:

نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ تَطَوُّعَ التَّهَجُّدِ رَكَعَتَيْنِ لِلَّهِ تَعَالَى

অর্থ: আমি আল্লাহর জন্য দুই রাকাআত নফল তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করার নিয়ত করলাম।

নামাজের পদ্ধতি:

  • তাহাজ্জুদ নামাজ যেকোনো স্থানে পড়া যায়।
  • তবে ঘরে পড়াই ভালো।
  • নামাজের পূর্বে অবশ্যই ওضو (অযু) করতে হবে।
  • নামাজ শুরু করার আগে কিরাত এবং দুআ পড়া مستحب।
  • তাহাজ্জুদ নামাজ সাধারণ নামাজের মতোই পড়া হয়।
  • তবে কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে:
    • প্রতি রাকাআতে ফাতিহা সূরা এবং অন্য কোনো সূরা পড়তে হবে।
    • রুকু এবং সিজদায় বেশি সময় অবস্থান করা مستحب।
    • নামাজ শেষে দীর্ঘ দোয়া পড়া مستحب।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

eduafa.com

  • তাহাজ্জুদ নামাজ নিয়মিত আদায়ের চেষ্টা করতে হবে।
  • নামাজের জন্য রাতে জাগার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • তাহাজ্জুদের ফজিলত সম্পর্কে জানা এবং তা অনুসরণ করার চেষ্টা করা।
  • তাহাজ্জুদের সময় ঘুম থেকে জাগতে অসুবিধা হলে, শুয়েই নামাজ পড়া যাবে।

তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত:

  • তাহাজ্জুদ নামাজ আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় নামাজ।
  • এই নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
  • তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ുന്ന ব্যক্তির গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
  • জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করা যায়।
  • দুনিয়া ও পরকালে সুখ-সমৃদ্ধি লাভ করা যায়।

তাহাজ্জুদ নামাজে দোয়া কবুল হওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:

সময়:

  • শ্রেষ্ঠ সময়: রাতের শেষ তৃতীয়াংশ, যখন আল্লাহ পৃথিবীর নিকটে নেমে আসেন এবং তাঁর বান্দাদের প্রতি করুণা বর্ষণ করেন।
  • অন্যান্য সময়: রাতের যেকোনো সময় দোয়া করা যায়, তবে শেষ তৃতীয়াংশের গুরুত্ব অনেক বেশি।

খাঁটি উদ্দেশ্য:

  • শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য: দুনিয়াবি লাভ বা মানুষের প্রশংসার জন্য নয়।
  • নিবেদিত মন: পূর্ণ মনোযোগ সহ আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।

বিশ্বাস ও আন্তরিকতা:

  • পূর্ণ বিশ্বাস: আল্লাহ দোয়া কবুল করবেন এই দৃঢ় বিশ্বাস রাখা।
  • নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা: মনের ভেতর থেকে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।

বিনয় ও নম্রতা:

  • আত্ম-নিম্নতা: নিজের অক্ষমতা ও আল্লাহর মহত্ত্ব উপলব্ধি করা।
  • ক্ষমা প্রার্থনা: গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে আরও সাবধান থাকার প্রতিজ্ঞা করা।

দোয়ার শর্তাবলী:

  • ইসলামী দোয়া: নবী ﷺ যেসব দোয়া শিখিয়েছেন সেগুলো পড়া।
  • হালাল রোজগার: হারাম রোজগার থেকে অর্জিত সম্পদ দিয়ে দোয়া করা যাবে না।
  • পবিত্রতা: নামাজের পূর্বে যথাযথভাবে অযু ও গোসল করা।

কিছু বিশেষ দোয়া:

  • নবী ﷺ এর দোয়া: তাহাজ্জুদের সময় নবী ﷺ যেসব দোয়া পড়তেন সেগুলো পড়া।
  • কুরআন থেকে দোয়া: কুরআনের বিভিন্ন আয়াত থেকে দোয়া করা।
  • নিজের চাহিদা অনুযায়ী দোয়া: নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।

অন্যান্য:

  • সেজদায় দীর্ঘক্ষণ অবস্থান: সেজদায় বেশিক্ষণ অবস্থান করে দোয়া করা।
  • বারবার দোয়া করা: একই দোয়া বারবার করা।
  • অন্যদের জন্য দোয়া করা: নিজের জন্যだけではなく, অন্যদের জন্যও দোয়া করা।

মনে রাখবেন:

  • দোয়া কবুল হওয়ার নিশ্চয়তা নেই, তবে আন্তরিকভাবে দোয়া করলে আল্লাহ অবশ্যই রহমত করবেন।
  • ধৈর্য ধরুন এবং নিয়মিত দোয়া করুন।
  • ইসলামের নীতি মেনে চলুন এবং সৎ জীবনযাপন করুন।

তাহাজ্জুদ নামাজে দোয়া কবুলের জন্য কিছু উল্লেখযোগ্য হাদিস:

  • হজরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: “আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নেমে আসেন এবং ডাক দেন, ‘কে আছে যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেবো। কে আছে যে আমার কাছে চাইবে

 

তাহাজ্জুদ নামাজ কেন প্রতিদিন পড়ব

তাহাজ্জুদ নামাজ, যা সালাতুল লাইল নামেও পরিচিত, ইসলামে একটি বিশেষ নফল নামাজ যা প্রতি রাতে ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক আসার আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় আদায় করা যায়।

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ: তাহাজ্জুদ নামাজ আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের একটি বিশেষ মাধ্যম। রাতের শেষ প্রহরে, যখন বেশিরভাগ মানুষ ঘুমিয়ে থাকে, তখন আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগ দেন। এই সময়ে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা যায় এবং তাঁর কাছে দোয়া প্রার্থনা করা যায়।

পাপের ক্ষমা: তাহাজ্জুদ নামাজ পাপের ক্ষমার জন্য একটি কার্যকর মাধ্যম। হাদিসে রয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে এবং দিনে ফরজ নামাজ আদায় করে, তার পাপগুলো একে অপরের সাথে ঝরে পড়ে যেমন পাতা গাছ থেকে ঝরে পড়ে।” (তিরমিজি)

জান্নাত লাভ: তাহাজ্জুদ নামাজ জান্নাত লাভের একটি উত্তম মাধ্যম। হাদিসে রয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তাহাজ্জুদ নামাজ জান্নাতের চাবিকাঠি।” (ইবন মাজাহ)

শয়তানের প্ররোচনা থেকে মুক্তি: তাহাজ্জুদ নামাজ শয়তানের প্ররোচনা থেকে মুক্তির একটি কার্যকর মাধ্যম। রাতের শেষ প্রহরে শয়তানের প্ররোচনা বেশি থাকে। তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে শয়তানের প্ররোচনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মানসিক শান্তি: তাহাজ্জুদ নামাজ মনকে শান্তি প্রদান করে। রাতের নির্জনতায় আল্লাহর সাথে একাকী সময় কাটানোর মাধ্যমে মনকে শান্তি ও প্রশান্তি লাভ করা যায়।

দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি: তাহাজ্জুদ নামাজ দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তির একটি মাধ্যম। হাদিসে রয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুঃখ-কষ্টে পড়লে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তার দুঃখ-কষ্ট দূর করবেন।” (ইবন মাজাহ)

আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে তাহাজ্জুদ নামাজের। নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে পারি, আমাদের পাপের ক্ষমা পেতে পারি, জান্নাত লাভ করতে পারি, শয়তানের প্ররোচনা থেকে মুক্তি পেতে পারি, মনকে শান্তি প্রদান করতে পারি এবং দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারি।

তাহাজ্জুদ নামাজ কেন খুবই গুরুত্বপুর্ণ

তাহাজ্জুদ নামাজ, যা শেষ রাতের নামাজ নামেও পরিচিত, ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নামাজ। এর গুরুত্বের বেশ কিছু কারণ রয়েছে:

আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ: তাহাজ্জুদ নামাজ আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের একটি বিশেষ মাধ্যম। রাতের এই নির্জন সময়ে, যখন বেশিরভাগ মানুষ ঘুমিয়ে থাকে, তখন আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা একজন মুসলমানের ঈমানের শক্তি ও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ।

পাপের মাফ: তাহাজ্জুদ নামাজ পাপের মাফের জন্য একটি উত্তম মাধ্যম। হাদিসে রয়েছে, নবী (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে এবং দিনে ফরজ নামাজ আদায় করে, তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী পাপগুলো মাফ হয়ে যায়, শুধুমাত্র মূল শিরক ছাড়া।” ([বুখারী])

দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি: তাহাজ্জুদের সময় করা দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। কারণ এই সময় শয়তানের প্রভাব কম থাকে এবং আল্লাহর দিকে মনোযোগ সহজেই নিবদ্ধ করা যায়।

আধ্যাত্মিক উন্নয়ন: তাহাজ্জুদ নামাজ একজন মুসলমানের আধ্যাত্মিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ার মাধ্যমে একজন মুসলমান তার ঈমান শক্তিশালী করতে পারে, নফসকে দমন করতে পারে এবং আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও তাকওয়া বৃদ্ধি করতে পারে।

শান্তি ও সুখ লাভ: তাহাজ্জুদ নামাজ মনের শান্তি ও সুখ লাভের জন্য একটি কার্যকর মাধ্যম। নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ার মাধ্যমে একজন মুসলমান তার চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, মানসিক চাপ কমাতে পারে এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারে।

আخروی মুক্তি: তাহাজ্জুদ নামাজ আখিরাতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। হাদিসে রয়েছে, নবী (সাঃ) বলেছেন, “জান্নাতের জন্য তাহাজ্জুদ নামাজের চেয়ে বেশি সাহায্যকারী অন্য কোন নামাজ নেই।” ([তিরমিদি])

এই সকল কারণে তাহাজ্জুদ নামাজ একজন মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ার মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে পারে, পাপের মাফ পেতে পারে, দোয়া কবুল করাতে পারে, আধ্যাত্মিকভাবে উন্নত হতে পারে, মনের শান্তি ও সুখ লাভ করতে পারে এবং আখিরাতে জান্নাত লাভ করতে পারে।

Leave a Comment