কাজাখস্তানে বিক্ষোভ দমনে রাশিয়ার সেনা নামছে

কাজাখস্তানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ থামিয়ে ‘স্থিতিশীল’ করতে রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এ জন্য কালেকটিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (সিএসটিও) সাহায্য চেয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ।যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে কাজাখস্তানে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। তবে এর পেছনে রাজনৈতিক অসন্তোষও রয়েছে। আর এ বিক্ষোভের জন্য বিদেশি ‘সন্ত্রাসী গ্যাং’কে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট তোকায়েভ।কাজাখস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। কিন্তু এই বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে এ ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, শুধু জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে এটি হচ্ছে না।

ঐতিহ্যগতভাবে মধ্য এশিয়ার এই অঞ্চলের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ। সাধারণত এ অঞ্চলের অধিকাংশ দেশে কর্তৃত্ববাদী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। দেশটিতে অধিকাংশ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল ১০০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দেশটিতে কার্যত কোনো বিরোধী দল নেই।এদিকে এ পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে রাত্রিকালীন কারফিউ রয়েছে। এ ছাড়া জনসমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।এ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার টেলিভিশনে ভাষণ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট তোকায়েভ। এ ভাষণ থেকে সিএসটিওর সাহায্য চেয়েছেন তিনি। রাশিয়া ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে তৈরি পাঁচটি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত এ জোট। দেশটির পরিস্থিতি শান্ত করতে সাহায্য চেয়েছেন তিনি।এ ভাষণের পর আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও সিএসটিওর চেয়ারম্যান নিকোল পাশিনিয়ান এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য’ সেখানে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো হবে।

Leave a Comment